প্রায় এক দশক পরও অমীমাংসিত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান (তনু) হত্যা মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি এসেছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে আরও দুই সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুমিনুল হক গত ১৬ জুলাই এ আদেশ দেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান।
তিনি জানান, আদালত সাবেক দুই সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালতের নথি অনুযায়ী, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক তরিকুল ইসলামের আবেদনের পর এই নির্দেশ দেওয়া হয়। তনুর পোশাক থেকে উদ্ধার হওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার জন্যই তাদের ডিএনএ সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছে আদালত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পিবিআইয়ের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম আদালতে নতুন করে দুই সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের আবেদন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে তাদের পরিচয় বা এ-সংক্রান্ত অন্য কোনো তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হননি।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসের অদূরে একটি জঙ্গল থেকে সোহাগী জাহান (তনু)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা ইয়ার আহম্মেদ কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সময় সিআইডি তদন্ত করেও মামলার কোনো সুরাহা করতে না পারায় ২০২০ সালে তদন্তভার পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।