বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ফেসবুকসহ নানা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একটি কুচক্রী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করে বিভ্রান্তি ছড়াতে তৎপর রয়েছে। এর পেছনে চক্রান্তকারী শক্তি ও তাদের দোসরদের হাত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের মূল লক্ষ্য জনগণের মাঝে অস্থিরতা তৈরি, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা।
সংস্থাটি আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বিষয়ে শক্ত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সরকারি দপ্তরে অনৈতিক তদবির প্রত্যাখ্যান করায় একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী সংক্ষুব্ধ হয়ে এসব গুজব ছড়াচ্ছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, অসাধু উপায়ে চাপ সৃষ্টি করা এবং অর্থ দাবির মতো ঘটনার সাথে এই অপপ্রচারকারীদের জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এমতাবস্থায়, এ ধরনের অসত্য তথ্য ও উসকানিমূলক খবর বিশ্বাস করা, কিংবা তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। গুজব প্রতিরোধে নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের প্রত্যাশা রেখে বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়, এ ধরনের কুৎসা রটনা বজায় থাকলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনি কাঠামো অনুযায়ী কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জনসাধারণের আস্থা ধরে রেখে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী শতভাগ পেশাদারত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে পুনরুল্লেখ করা হয়।