রবিবার, 4 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

নিউইয়র্ক বইমেলার পুরস্কার পেলেন ড. মোস্তফা সারওয়ার

আমেরিকার নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে আয়োজিত চতুর্থ রকল্যান্ড রিট্রিট ও বইমেলা আয়োজনে সাহিত্য জগতে অসাধারণ অবদানের সম্মাননা হিসেবে ‘বিলস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন সাবেক উপাচার্য, এমেরিটাস শিক্ষক ও খ্যাতিমান সাহিত্যিক ড. মোস্তফা সারওয়ার।

নিউইয়র্ক বইমেলার পুরস্কার পেলেন ড. মোস্তফা সারওয়ার
ছবি : সংগৃহীত
আমেরিকার নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে আয়োজিত চতুর্থ রকল্যান্ড রিট্রিট ও বইমেলা আয়োজনে সাহিত্য জগতে অসাধারণ অবদানের সম্মাননা হিসেবে ‘বিলস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন সাবেক উপাচার্য, এমেরিটাস শিক্ষক ও খ্যাতিমান সাহিত্যিক ড. মোস্তফা সারওয়ার।

জুলাইয়ের শেষভাগে নিউইয়র্কের সন্নিকটে চেস্টনাট রিজ এলাকার থ্রিফোল্ড শিক্ষা প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এই সাংস্কৃতিক আসরের আয়োজন করে বেঙ্গলি ইন্টারন্যাশনাল লিটারারি সোসাইটি। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে পোশাক সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে এবারের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতিতে শাড়ির ভূমিকা।

অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন ড. মোস্তফা সারওয়ার। পরবর্তীতে দ্বিশতবর্ষীয় আমেরিকান প্রেক্ষাপটে বাংলা সাহিত্যের স্থান বিষয়ক এক বিষাদময় আলোচনায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, নবীন প্রজন্মের প্রাত্যহিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত হলেই একটি ভাষা প্রকৃত সার্থকতা লাভ করে। ফলে প্রবাসে বেড়ে ওঠা কিশোর ও তরুণদের মাঝে বাংলা ভাষার ধারা ও সাংস্কৃতিক চর্চা টিকিয়ে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

ঐতিহাসিক এই আয়োজনে বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি সুবোধ সরকার, মুহম্মদ নূরুল হুদা এবং গবেষক ড. মোহাম্মদ মাসুমের পাশাপাশি বাংলাদেশ, ভারত, আমেরিকা, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক ও গায়ানাসহ বিশ্বমঞ্চের একাধিক দেশের লেখক, কবি ও চিন্তাবিদরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

দুই দিনের এই আয়োজনে সাহিত্য বিষয়ক আলোচনা, গ্রন্থ প্রদর্শনী, স্বরচিত লেখা পাঠ, আবৃত্তি, সাংস্কৃতিক উপস্থাপন, চিত্রকলা প্রদর্শনী ও সৃজনশীল লিখন কর্মশালা সমাদৃত হয়।

সমাপনী পর্বে প্রাচ্য ও প্রাশ্চাত্যের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ সুদৃঢ় করার স্বীকৃতিস্বরূপ ড. মোস্তফা সারওয়ারের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। একই সাথে প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত আবাসিক লেখক সম্মাননা লাভ করেন ভারতের কবি সুবোধ সরকার এবং বাংলাদেশের কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে পরবর্তী বছরের রকল্যান্ড রিট্রিট ও বইমেলার সময়সূচি হিসেবে জুলাইয়ের চব্বিশ ও পঁচিশ তারিখ ঘোষণা করা হয়, যার মূল ভাবভাবনা নির্ধারিত হয়েছে মেঘনা থেকে মিসিসিপির সাংস্কৃতিক সংযোগ।