এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সরকারি দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক চত্বরে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু হয়েছে। একই সাথে রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে নানামুখী প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
নির্ধারিত কার্যসূচি অনুযায়ী, সফরকালে তিনি পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের হাতে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেবেন। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁয় হারানো মানুষদের জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে সদ্য নির্মিত বাসস্থানগুলো সুবিধাভোগীদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্পণ করবেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিপূরণ ও আবাসন পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় তৈরি এসব বাসস্থানের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রধানমন্ত্রী স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত স্বজনদের হাতে এসব ঘরের মালিকানাপত্র বুঝিয়ে দেবেন। একই সাথে দুর্গত জনগোষ্ঠীর সাথে মতবিনিময় এবং একটি সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রপ্রধানের আগমনকে সামনে রেখে উপযুক্ত স্থানে অস্থায়ী অবতরণ কেন্দ্র বা হেলিপ্যাড নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। কর্মসূচির বিশেষ অংশে তিনি বাঁশখালীর পশ্চিমাঞ্চল ঘুরে দেখবেন এবং সেখানে আয়োজিত জনসমাবেশে অংশ নিয়ে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবেন। উক্ত এলাকাতেই পুনর্নির্মিত একশত নতুন ঘর আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহহীনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অন্যদিকে সফরকে সফল করতে রাজনৈতিক অঙ্গনেও তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শীর্ষ নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে প্রাক-প্রস্তুতি তদারকি করছেন এবং ত্রাণ কার্যক্রমে প্রশাসনিক সহায়তার জন্য তৃণমূল কর্মীদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রাতিষ্ঠানিক প্রাথমিক পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। তবে কেন্দ্র থেকে সুনির্দিষ্ট সরকারি কর্মসূচির চূড়ান্ত বিবরণ পাওয়া মাত্রই সার্বিক আয়োজন পুরোপুরি সম্পন্ন করা হবে।