জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকের বিস্তার রোধে শীর্ষ কর্মকর্তার নির্দেশনায় শ্রীনগর থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল এই তৎপরতা চালায়। নির্দিষ্ট সংবাদের ওপর ভিত্তি করে দেলভোগ দয়হাটার আমিনুল ইসলামের মালিকাধীন একটি ভাড়া করা ভবনের প্রাঙ্গণে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই তুষারকে আটক করা সম্ভব হয়।
পরবর্তী অনুসন্ধানে আটককৃত ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় কফ সিরাপ জাতীয় একশত দশ বোতল উইন কোরেক্স এবং পিতল নির্মিত বত্রিশটি কার্তুজ।
উদ্ধারকৃত অবৈধ সামগ্রী ও আসামির বিরুদ্ধে মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র আইনে জোড়া মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে শ্রীনগর থানা পুলিশ। পাশাপাশি এই কারবারের নেপথ্যে অন্য কোনো অসাধু চক্র বা সহযোগী জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে গভীরভাবে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।