সোমবার, 5 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে সরে গেলেন শিক্ষার্থীরা

দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন চালানোর পর শিক্ষা ভবনের সম্মুখস্থ এলাকা থেকে সরে গেছেন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা। বুধবার ১৫ জুলাই বিকেল পাঁচটা পঞ্চাশ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি শেষ করলে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত বিস্তৃত দুইমুখী সড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়

শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে সরে গেলেন শিক্ষার্থীরা
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন চালানোর পর শিক্ষা ভবনের সম্মুখস্থ এলাকা থেকে সরে গেছেন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা। বুধবার ১৫ জুলাই বিকেল পাঁচটা পঞ্চাশ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি শেষ করলে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত বিস্তৃত দুইমুখী সড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার রব্বানী হোসেন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষ হওয়ার পরই সড়কটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী এক শিক্ষার্থী জানান, পরদিন পরীক্ষা থাকায় তারা আজকের মতো তাদের কর্মসূচি সমাপ্ত করেছেন। তবে তাদের উত্থাপিত দাবিগুলো এখনও বহাল রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে এলাকাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই প্রশাসন সড়কটি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে স্বেচ্ছায় সড়ক ত্যাগ করলে পুলিশ ব্যারিকেড সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

আন্দোলনে বহিরাগত কারো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য বা প্রমাণ তাদের হাতে নেই। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।

এর আগে বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে প্রবেশ করে। এ সময় তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের একক দাবির পরিবর্তে নতুন করে ছয়টি দাবি পেশ করেন। উল্লেখ্য, প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলমান রাখার প্রতিবাদে বেশ কিছু দিন ধরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।