আটককৃতরা হলেন শারীফ উদ্দিন বাবু, নাজমুল হাসান, মো. ইমন ও মো. জুয়েল। চট্টগ্রামের খুলশী এলাকা থেকে তাদের আওতাভুক্ত করা হয়। কি উদ্দেশ্যে এ আক্রমণ চালানো হয়েছিল তা উদ্ঘাটনে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বাজার করে পরিজনের সঙ্গে আবাসন এলাকায় ফেরার পথে হামলার শিকার হন বিমানবন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ শাখার কর্মকর্তা ওসমান গনি। ওই সময় হঠাৎ একজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি পেছন দিক থেকে তার পিঠে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে চম্পট দেয়। ঘটনার আকস্মিকতায় রক্তাক্ত হলেও তিনি হামলাকারীকে মোকাবিলার আপ্রাণ চেষ্টা চালান।
পরবর্তী সময়ে তাকে উদ্ধার করে বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নেওয়া হয়, যার মধ্যে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালও রয়েছে। চিকিৎসকদের দেয়া তথ্য মতে, আঘাত অত্যন্ত মারাত্মক হওয়ায় তার শরীরে পঁয়তাল্লিশটি সেলাই দিতে হয়েছে। সুস্থতা লাভের প্রক্রিয়ার মাঝেই আক্রান্ত কর্মকর্তা নিজে বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিক তদন্তে এটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে করা হামলা বলে মনে করছেন না দায়িত্বশীল কর্তারা। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, আগে থেকে চলে আসা কোনো বিরোধের সূত্র ধরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এলাকাটির পর্যবেক্ষণ ক্যামেরার দৃশ্যে দেখা যায়, আক্রমণের ঠিক পূর্বে কয়েকজন তরুণের সঙ্গে কথা বলছিলেন ওই কর্মকর্তা, এবং এর পরেই তারা চত্বর ছেড়ে সটকে পড়ে।
আটক চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অপরাধের নেপথ্য কারণ ও পুরো পরিস্থিতির স্পষ্ট চিত্র সামনে আসবে বলে আশা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।