নিহত ব্যক্তির নাম আবু রায়হান তালুকদার। চার দশক বয়সী এই ব্যক্তি স্থানীয় সোয়াইতপুর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন এবং রাজধানী ঢাকার কমলাপুরস্থ কাস্টমস হাউসে সিপাহি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মাসের ২৩ তারিখে অসুস্থ মাকে দেখতে কর্মস্থল থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি। পরদিন সকালে কাজের উদ্দেশ্যে পুনরায় ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না এবং সাথে থাকা যোগাযোগের মোবাইল সংযোগটিও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি নথিভুক্ত করা হয়, যার সূত্র ধরে পুলিশ অনুসন্ধানে মাঠে নামে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে রোববারে, যখন থানার উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি দল অনুসন্ধানের স্বার্থে নিহতের নিজ বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। গৃহের অভ্যন্তরে খোঁজাখুঁজি শেষে প্রস্থানকালে পেছনের জলাশয়ে সন্দেহজনক কয়েকটি বস্তু ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করেন। সেখান থেকেই ভেসে থাকা ব্যাগগুলো উদ্ধার করা হলে দেখা যায় ভেতরে খণ্ড-বিখণ্ড দেহাবশেষ রাখা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনেরা কাস্টমস কর্মী রায়হানের দেহ চিহ্নিত করেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি জানান, ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মরদেহ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও জিজ্ঞাসাবাদের উদ্দেশ্যে উক্ত বাসভবনের সার্বিক দায়িত্বে থাকা তত্ত্বাবধায়ককে খোঁজা হচ্ছে।