ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারগামী রেলরুটে যাত্রীসেবার মান উন্নত ও ত্বরান্বিত করতে বর্তমান সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত একটি নতুন কর্ড লাইন স্থাপনের প্রাক-সমীক্ষা পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটি সফল হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যকার দূরত্ব অন্তত ৮০ কিলোমিটার হ্রাস পাবে, যা যাত্রীদের যাতায়াতের সময়সীমা প্রায় এক ঘণ্টা বিশ মিনিট কমিয়ে আনবে। একইসঙ্গে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে অতিরিক্ত ট্রেন চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
শনিবার অপরাহ্নে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এই তথ্য ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের কোনো ভূসম্পত্তি নতুন করে ইজারা বা লিজ না দেওয়ার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোপূর্বে দেওয়া ইজারাগুলো সার্বিকভাবে পুনঃমূল্যায়ন করা হবে এবং যেখানে আইনি জটিলতা থাকবে না, সেখানে লিজ বাতিল করে জমিগুলো পুনরায় রেলের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়াও রেলের অব্যবহৃত বিভিন্ন ভূমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের দূরদর্শী পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রেল খাতের দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর রশিদ জানান, বর্তমান প্রশাসনিক পরিচালনায় স্বজনপ্রীতি কিংবা দলীয় প্রভাব খাটানোর কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উক্ত মতবিনিময় সভায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলীয় আবাহনের ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।