জেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে প্রেরিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে উক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করা হয়। এর পূর্বে রোববার বিকেলের দিকে যশোরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আসামি রাব্বিকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন, যা পরবর্তীতে আদালত পুলিশের প্রতিনিধি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষে পাঠরত ১৮ বছর বয়সী এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গত শনিবার রাতে রাব্বিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনাটির তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজতে নেওয়া হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, শৃঙ্খলা পরিপন্থী গুরুতর কর্মকাণ্ডে নাম জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে উক্ত কর্মীকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার সাথে কোনো ধরনের দলীয় যোগাযোগ রক্ষা না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অন্যান্য কর্মীদের। ছাত্রদলের স্থানীয় শীর্ষ নেতৃত্ব জানায়, ব্যক্তি বিশেষের নৈতিক স্খলন বা অপরাধের দায়িত্ব সংগঠন কখনোই নেবে না।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সহায়তার কথা বলে ছুটির দিনে ওই তরুণীকে শহরের নিজ ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে অসদাচরণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী বিষয়টি স্বজনদের জানালে তিনি নিজেই বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে অভিযুক্ত পক্ষের স্থানীয় পরিচিতদের একাংশের দাবি, পূর্বশত্রুতা ও আইনি বিরোধের জের ধরে এই ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।