কূটনৈতিক বিষয়াবলি সংশ্লিষ্ট তিনটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যানুসারে জানা যায়, জর্ডানের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ এবং আন্তর্জাতিক জলপথ হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির ঘটনায় তেহরানের ওপর ক্ষুব্ধ ওয়াশিংটন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে বিমান হামলার পরিকল্পনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছিল।
অবশ্য ওই হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান পুরোপুরি চূড়ান্ত ছিল না। শনি বা রোববার নাগাদ হামলা শুরুর প্রবল আশঙ্কা সৃষ্টি হলেও শেষ মুহূর্তে উক্ত উদ্যোগ স্থগিত রাখার কৌশল গ্রহণ করা হয়। তবে নীতিগতভাবে সেই আক্রমণের ছক পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি বলে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা কমাতে সরাসরি মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। আলাপকালে তিনি যেকোনো ধরনের সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকার তাগিদ দেন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় মার্কিন প্রশাসনের নিকট থেকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ব্যাখ্যা দাবি করেন।
এদিকে তেহরানের বার্তা সংস্থাগুলো পূর্বেই সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে যে, দেশটির ভূখণ্ডে বা সামরিক স্থাপনায় যেকোনো নতুন আক্রমণ সংঘটিত হলে তারা আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েল ছাড়াও প্রাক-উপসাগরীয় এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জ্বালানি খাতকে লক্ষ্যবস্তু করে জোরালো পাল্টা হামলা চালাবে।
সামগ্রিক বিষয়ে মন্তব্য জানার জন্য হোয়াইট হাউস এবং ওয়াশিংটনে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।