ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান জানান, তাদের মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি সুদৃঢ় অভ্যন্তরীণ সামাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে শত্রুপক্ষ কোনো ধরনের উসকানি, অনুপ্রবেশ কিংবা বিভেদ সৃষ্টি করে ধ্বংসাত্মক তৎপরতা চালানোর কোনো সুযোগ বা সুযোগসুবিধা পাবে না।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলমান রয়েছে বলে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, সেটি একবাক্যে নাকচ করে দিয়েছে ইরানি প্রশাসন। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠকে বসা কিংবা নতুন করে আলোচনার আলোচনার বিষয়ে তাদের কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল না বলেও তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।