রবিবার, 4 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

দেশে সংক্রামক ব্যাধি হামের প্রকোপ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে। সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় এই রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। নতুন করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন একশ চব্বিশ জন। এছাড়া আরও নয়শত উনষাট জনকে সম্ভাব্য আক্রান্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত
দেশে সংক্রামক ব্যাধি হামের প্রকোপ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে। সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় এই রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। নতুন করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন একশ চব্বিশ জন। এছাড়া আরও নয়শত উনষাট জনকে সম্ভাব্য আক্রান্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

আজ সপ্তাহের তৃতীয় দিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রচারিত এক বিশেষ বার্তা থেকে এসব উপাত্ত জানা যায়। প্রকাশিত তথ্যে স্পষ্ট করা হয় যে, গতকাল সকাল আটটা থেকে পরদিন অর্থাৎ আজকের সকাল আটটা পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান হিসাব করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের বিবরণ অনুসারে, চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রাণ হারানো প্রতিটি শিশুই রাজধানী ও এর আশেপাশের অঞ্চলের অধিবাসী। যদিও ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় তাদের মৃত্যুর নেপথ্যে শতভাগ হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চলতি সালের মধ্য মার্চ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত হামের মতো লক্ষণ দেখা দেওয়ায় মোট সাতশত আটান্ন জনের জীবনাবসান ঘটেছে। এই বিপুল সংখ্যার মধ্যে ছিয়ানব্বই জনের দেহে সুনির্দিষ্টভাবে রোগটি ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, একদিনেই নতুন একশ চব্বিশ জনের শরীরে এই ব্যাধির সক্রিয় উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিগত সাড়ে চার মাসে সর্বমোট আক্রান্তের হিসাব ষোলো হাজার ছয়শত পঞ্চান্ন জনে এসে ঠেকেছে। একই সময়ে উপসর্গ বহনকারী ব্যক্তির সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ বত্রিশ হাজার নয়শত পাঁচ।

তাছাড়া সা সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্ত হয়ে একশ চব্বিশ জন চিকিৎসালয়ে ঠাঁই নিয়েছেন। মধ্য মার্চ থেকে এ যাবৎ এক লাখ পনেরো হাজার দুইশত চৌত্রিশ জন রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থান পেয়েছেন। এদের মাঝে প্রায় এক লাখ এগারো হাজার পাঁচজন রোগী সুস্থতা লাভ করে নিজ আবাসে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

আঞ্চলিক তথ্যাদি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একদিনে সন্দেহভাজন রোগীর তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। এককভাবে এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ তিনশত চুরানব্বই জন সম্ভাব্য আক্রান্তের হদিস মিলেছে।