আজ সপ্তাহের মাঝের দিনে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ প্রাঙ্গণে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বলবৎ করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের সমাবেশ থেকে তিনি এসব কথা বলেন। এ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রধান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রধান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, এনসিপির প্রধান সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং এবি পার্টির সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল এতে বক্তব্য প্রদান করেন।
বিরোধী শিবিরের বর্তমান কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে মঞ্জু বলেন, বিগত দেড় দশকে ছাত্র ও যুব সংগঠনের এমন কঠোর রূপ দৃশ্যমান ছিল না। অতীতে নিজেদের আত্মগোপনে রেখে অন্যকে দোষারোপ করার যে প্রবণতা ছিল, তা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গেই বেশি দৃশ্যমান। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের কঠিন দিনগুলোতে এই তৎপরতা দেখা যায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
একই সময়ে অনুষ্ঠিত দুটি সিদ্ধান্তের নীতিগত বৈপরীত্য তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একই প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোটের মধ্যে একটিকে গ্রহণ করে অপরটিকে প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর গণ্ডির বাইরে গিয়েও যে হরতাল, অবরোধ কিংবা ঘেরাওয়ের মতো গণআন্দোলন গড়ে তোলা যায়, তা চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে।
সমাপনী বক্তব্যে এবি পার্টির শীর্ষনেতা বলেন, গণআন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের স্বপ্ন পূরণে গণভোটের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করা প্রয়োজন। আগস্টের ওই বিশেষ দিনটিকে তিনি স্বৈরাচারী শাসন অবসানের দিন হিসেবে উল্লেখ করে সেই চেতনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ার তাগিদ দেন।