রবিবার, 4 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

‘১৮ বছরের কম বয়সিরা যেন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে’-

আঠারো বছরের কম বয়সি কিশোর-কিশোরীরা যাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে, সে লক্ষ্যে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

‘১৮ বছরের কম বয়সিরা যেন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে’-
ছবি : সংগৃহীত
আঠারো বছরের কম বয়সি কিশোর-কিশোরীরা যাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে, সে লক্ষ্যে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।

শনিবার অপরাহ্ণে রাজশাহী সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের মিলনায়তনে আয়োজিত ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রকল্যাণ পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোবাইল ব্যবহার বন্ধে সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চলছে এবং খুব দ্রুতই এ সংক্রান্ত কার্যকর ব্যবস্থা দৃশ্যমান হবে।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের ওপর জোর দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের বিভীষিকা থেকে মুক্ত রাখতে সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। এককভাবে কোনো ব্যক্তি বা সরকারের পক্ষে এটি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়, বরং গোটা জাতিকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে। এই লড়াইয়ে শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারেন।

শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাজীবনে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ভুল পথে পরিচালিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ বা আইনি ব্যবস্থার চেয়ে সহানুভূতি ও অভিভাবকীয় পরামর্শের মাধ্যমে তাকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনা জরুরি। কেবল আইনি ভয় দেখিয়ে নয়, বরং স্নেহ ও মমতার সঙ্গেই তাদের এই পথ থেকে বের করে আনতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, অল্প বয়সে নানা ধরনের প্রলোভন সামনে আসতে পারে, তবে সেসব এড়িয়ে ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখতে হবে। একইসঙ্গে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্র নেতৃত্বের সাফল্য কামনা করেন তিনি।

রাজশাহী সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ঐতিহ্য স্মরণ করে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি দেশ ও বিদেশের বহু খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ তৈরির কেন্দ্রবিন্দু। এখানকার প্রশিক্ষণার্থীরা সমাজ ও দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছেন।

উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর রফিকুল ইসলাম এবং রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ব্যানার্জি।